ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে এনসিপির নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে হাতাহাতি এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে ভারত কিছু জানায়নি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলল পুতিনের দেশ সাফাইকর্মীকে বাড়িতে ডেকে সোনার হার উপহার দিলেন কেন রজনীকান্ত? মানিকগঞ্জে পাকিস্তানি আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও ককটেল উদ্ধার জামায়াত কর্মীর সিল জালিয়াতি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শামিল: এ্যানি নোয়াখালীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের চিকিৎসার নামে নিঃসন্তান গৃহবধূকে কবিরাজের ধর্ষণ জামায়াত আমিরের ‘মন্তব্যের’ প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ঝাড়ু মিছিল গোপনে ভোটের সিল বানিয়ে ব্যবসায়ী ধরা সীমান্তে বিপুল বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করল বিজিবি ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা বিটিআরসির ভোট নিয়ে যারা দ্বিধায় আছে, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত: সেনাপ্রধান ভূমিকম্পে আবারও কাঁপল দেশ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে বই তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ক্ষমা না চাইলে ক্যান্টনমেন্টে জামায়াত প্রার্থীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তারেক-জুবাইদার আজ বিবাহবার্ষিকী  ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট

পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার

  • আপলোড সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০৪:২০:২৭ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-০৯-২০২৫ ০৪:২০:২৭ অপরাহ্ন
পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার পাটক্ষেতে প্রেমিক যুগলকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে বিচার
কিছু গল্প হাসির আড়ালে গভীর এক বিষাদের ছাপ রেখে যায়। কোন এক গ্রামে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি তেমনই এক গল্প, যা আমাদের সমাজের বাস্তবতাকে আয়নার মতো দেখিয়ে দিয়েছে।

গ্রামের শেষের সেই পাটক্ষেত, যা হয়তো কারও কাছে কেবলই সবুজ এক চাদর, আজ তা এক অসমাপ্ত ও নিষিদ্ধ প্রেমের করুণ মঞ্চ হয়ে রইল। লোকচক্ষুর আড়ালে একটুখানি সময় কাটাতে চেয়েছিলেন একজন যুবক এবং একজন বিবাহিতা নারী। কিন্তু গ্রামের উৎসুক চোখের পাহারা এড়ানো যায়নি। যা হওয়ার তাই হলো দুজনকে ধরে গাছের সাথে বেঁধে ফেলা হলো, আর খবর গেল গ্রামের মোড়ল-মাতব্বরের কাছে। শুরু হলো বিচার।

খুব সহজেই আমরা তাদের দিকে আঙুল তুলতে পারি। বলতে পারি, ছিঃ! কী অধঃপতন! কিন্তু ঘটনার গভীরে তাকালে কিছু প্রশ্নও উঠে আসে।

মহিলাটির ভাষ্য, তার স্বামী শহরে চাকরি করেন, মাসের পর মাস দেখা হয় না। একাকীত্ব, অবহেলা আর শূন্যতা তাকে হয়তো এই ভুল পথে ঠেলে দিয়েছে। তার চোখেমুখে ভয় বা লজ্জার ছাপ না থাকাটা কি তার নির্লজ্জতা, নাকি এক দীর্ঘ অবহেলার শিকার হতে হতে সব অনুভূতি মরে যাওয়ার চিহ্ন?

অন্যদিকে, গ্রামের বেকার যুবকদের এই "সচেতনতা" কি শুধুই সামাজিক দায়িত্ববোধ, নাকি অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকিঝুঁকি দেওয়ার এক বিকৃত আনন্দ? গাছের সাথে বেঁধে বিচার বসিয়ে কি সব সমস্যার সমাধান হয়? সম্মানহানি করে কি সম্মান ফেরানো যায়?

এই ঘটনাটি শুধু একজন নারী বা পুরুষের ব্যক্তিগত ভুলের গল্প নয়, এটি আমাদের সমাজের গভীর অসুখের প্রতিচ্ছবি। যেখানে সম্পর্কের মাঝে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাড়ছে মানসিক শূন্যতা, আর সমাজ সেই সুযোগে বিচারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে হয়তো সেই নারীর দুটি নিষ্পাপ শিশু, যারা হয়তো বুঝবেই না তাদের মায়ের এক মুহূর্তের ভুলের শাস্তি সমাজ কেন এমন নির্মমভাবে দিচ্ছে।

আসুন, অন্যের বিচার করার আগে নিজের সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হই। সঙ্গীকে সময় দিই, তার একাকীত্ব বোঝার চেষ্টা করি। মনে রাখবেন, একটি ভুল হয়তো একটি সাজানো সংসার, কিছু নিষ্পাপ ভবিষ্যৎ আর একজন মানুষের আজীবনের সম্মানকে চুরমার করে দিতে পারে।

সম্মান অমূল্য, একবার হারালে তা ফিরে পাওয়া বড় কঠিন।
(ফেসবুক থেকে পাওয়া)।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Admin News

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান